একই কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার পথে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নসহ বিরোধী দল ও শিক্ষার্থী আন্দোলনের বেশ কয়েকজন নেতাকে আটক করে পুলিশ। মধ্য নয়াদিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউয়ে পুলিশের বাধার মুখে সড়কে অবস্থান নিলে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের পাঁচজন সংসদ সদস্যকে আটক করে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ডেরেক ও’ব্রায়েন ও দোলা সেন। মুখে ব্যান্ড-এইড সেঁটে অভিনব প্রতিবাদ জানান মমতা। প্রিজন ভ্যানের ভেতর থেকে এক ভিডিও বার্তায় মমতা বলেন, ‘সরকার আমাদের সঙ্গে অসদাচরণ করছে। জনগণের কণ্ঠ জোরালো করতে ইন্ডিয়া জোট লড়াই চালিয়ে যাবে।’
কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন ও সিপিএমের সংসদ সদস্য জন ব্রিটাসকে পুলিশ আটক করে ছত্রশাল স্টেডিয়ামে নিয়ে যায়। ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে বিরোধীদের এই আন্দোলনে অংশ নিতে শুক্রবার নয়াদিল্লি পৌঁছান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের অপসারণ দাবি করে ইন্ডিয়া জোটের প্রতিনিধিদল।
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকে বিরোধী নেতারা কথিত ভোট চুরির অভিযোগ তুলে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং বিগত দুই বছরের সব বিধানসভা নির্বাচনের ফল বাতিলের দাবি জানান। লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী জানান, সব ধরনের আইনি পথ ব্যবহারের অংশ হিসেবে সোমবার তারা সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি দেবেন। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সোমবার বড় বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ইন্ডিয়া জোট।
—এনডিটিভির প্রতিবেদন অবলম্বনে





