মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্লারা শিহ বলেন, ভবিষ্যতে যারা এআই তৈরি করবে, যারা এআই ব্যবহার করবে এবং যাদের এআই পরিচালনা করবে—কেবল এই তিন শ্রেণির মানুষের চাকরি থাকবে। তিনি জানান, তৃতীয় শ্রেণির পেশা ইতিমধ্যে তৈরি হয়ে গেছে। উবার চালক, ডোরড্যাশ সরবরাহকর্মী এবং গ্রাহকসেবা ও বিক্রয় প্রতিনিধিদের মতো কর্মীরা এখন এআইয়ের তত্ত্বাবধানে কাজ করছেন।
ক্লারার মতে, বেশির ভাগ মানুষ নিজেদের দ্বিতীয় শ্রেণিতে (এআই ব্যবহারকারী) ভাবলেও বাস্তবে এই গোষ্ঠীর আকার অনেক ছোট এবং তা ক্রমশ সংকুচিত হচ্ছে।
এআইয়ের কারণে তরুণদের কর্মসংস্থান সবচেয়ে বেশি হুমকির মুখে পড়েছে বলে সতর্ক করেন ক্লারা শিহ। তিনি জানান, তার আগের কর্মস্থলগুলো ইতিমধ্যে নতুন বা এন্ট্রি-লেভেলের কর্মী নিয়োগ কমিয়ে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যান টেনে তিনি বলেন, সদ্য পাস করা প্রতি দুই কলেজ স্নাতকের একজন হয় বেকার, নয়তো এমন চাকরি করছেন, যেখানে তাদের অর্জিত ডিগ্রির কোনো প্রয়োজন নেই।
প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বদল আসার কারণও ব্যাখ্যা করেন ক্লারা। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পেরোনো নতুন কর্মীদের চেয়ে এআই ‘শুরু থেকেই অনেক বেশি দক্ষ’ হিসেবে কাজ করতে পারে। এ নিয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘এখনই কোনো পদক্ষেপ না নিলে আমেরিকার উৎপাদন খাতে যা ঘটেছিল, প্রতিটি বড় শহরে তা-ই ঘটতে যাচ্ছে।’
কর্মক্ষেত্রের এই দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তরুণদের মানিয়ে নিতে সাহায্য করার জন্য নিউ ওয়ার্ক ফাউন্ডেশন নামের একটি অলাভজনক সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ক্লারা শিহ।
—এনডিটিভির প্রতিবেদনে অবলম্বনে





