এ সময় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন ঢাকায় তুরস্ক দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর বিলাল বেলিউর্ট এবং কারাপাওয়ারশিপের কর্মকর্তারা, জাদ এল সেবালি, আসলি কিলিচ ও এমা ওয়ালবার্গ।
সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও তুরস্কের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে মতবিনিময় হয়। বিশেষ করে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।
এ সময় দক্ষ, সাশ্রয়ী ও কম খরচের বিদ্যুৎ সরবরাহের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে কম খরচের এফএসআরইউ, এলএনজি ও এইচএফও সরবরাহের বিষয়ও উঠে আসে। দুই দেশই এ খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে।
মন্ত্রী দেশের অচল বা অব্যবহৃত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সচল করতে সাশ্রয়ী ও টেকসই জ্বালানি সমাধান খুঁজে বের করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের সামগ্রিক জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপরও জোর দেন।
তুরস্কের প্রতিনিধিদল দ্রুত সময়ের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে তাদের প্রস্তাব বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন এবং বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা টেকসই ও দক্ষতার সঙ্গে নিশ্চিত করতে সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো নিয়ে আলোচনা করার আগ্রহ প্রকাশ করে।
মন্ত্রী তুরস্কের এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানান এবং বিষয়টি আরও বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা ও সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে প্রতিনিধিদলের সঙ্গে পরবর্তী বৈঠকে সম্মত হন।
মন্ত্রী জানান, আঞ্চলিক জ্বালানি সহযোগিতা সম্প্রসারণে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। একই সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে, বিশেষ করে জ্বালানি খাতে, দুই দেশের মধ্যে আরও সংলাপ ও সহযোগিতার সুযোগকে স্বাগত জানান তিনি।
অন্যদিকে, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত জ্বালানিসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে তুরস্কের আগ্রহের কথা জানান। বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।





