বাংলাদেশ সফর নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ‘স্টান্টবাজি’?

বাংলাদেশ ও ভারত ক্রিকেট বোর্ডের লোগো
বাংলাদেশ ও ভারত ক্রিকেট বোর্ডের লোগো | ছবি: এখন টিভি
0

নিরাপত্তার অজুহাতে ক্রিকেট দলকে বাংলাদেশে না পাঠালেও নিজ দেশের অন্য খেলোয়াড়দের বাংলাদেশে আসার বেলায় আপত্তি নেই ভারতের। সবশেষ দেশটির নারী হ্যান্ডবল দলের বাংলাদেশে আসার অনুমতি মিলেছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, রোহিত-ভিরাটদের সফর আটকে দেয়া কি শুধুই সচেতনতা, নাকি রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ‘স্টান্টবাজি’?

২০২৫ সালে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য বাংলাদেশে সফরের কথা ছিলো ভারত দলের। যদিও নিরাপত্তার অজুহাতে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে সেই সফর পুনর্নিধারণ করেছিলো ভারতের ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বিসিসিআই)। তবে এবারও একই কারণে সফর অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে দেয়া হয়েছে।

গুঞ্জন আছে, আগামী জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ সফরের জন্য আগ্রহী ভারত। সেজন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পক্ষ থেকে জোর চেষ্টা চালানো হলেও নিজেদের আগের অবস্থানই ধরে রেখেছে ভারত। যদিও এরইমাঝে নিজেদের অন্যান্য দলকে বাংলাদেশে খেলার অনুমতি দিয়ে রেখেছে দেশটির সরকার।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ জাতীয় নারী হ্যান্ডবল দলকে ঢাকায় আসার অনুমতি দিয়েছে ভারত সরকার। ১৮ অক্টোবর থেকে ঢাকায় বসবে আইএইচএফ নেশনস ট্রফি এশিয়ান জোন-২ এর আসর। আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে ঢাকায় আসবেন ভারতের ১৮ খেলোয়াড় এবং ৬ জন টিম কর্মকর্তা।

আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল ফেডারেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এই আসরে থাকবে মোট ৮ দেশ। এর আগে, গেলো নভেম্বরে ফিফা-এফসির নির্দেশে ভারতের ফুটবল দল খেলেছে ঢাকায়।

স্বাভাবিকভাবেই তাই প্রশ্ন থেকে যায়, ভারতের ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ না আসা কি কেবলই আইসিসিতে নিজেদের ক্ষমতার প্রদর্শন?

যদিও ভারতের ক্রিকেট বোর্ড বরাবরই জানিয়েছে, পুরো বিষয়টিই দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত। শেষ পর্যন্ত ভারত যদি আবারও ক্রিকেট দলের সফর বাতিল করে, তবে অন্যান্য খেলার সাপেক্ষে জন্ম দেবে আরও বড় বিতর্কের।

এসএইচ