মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি বলেন, ‘শত্রুরা (যুক্তরাষ্ট্র) ভালো করেই জানে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পেছনে ছুটছে না। ইরানের সঙ্গে তাদের মূল সমস্যা পারমাণবিক কর্মসূচি নয়, বরং তারা ইরানের মহত্ব ও বিশালতাকে ধ্বংস করতে চায়।’
হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের প্রভাব কমে গেছে বলে ওয়াশিংটনের দাবিকেও তিনি চ্যালেঞ্জ জানান। মার্কিন সামরিক বাহিনীর পাহারায় কিছু তেলবাহী জাহাজ পার করার চেষ্টার সমালোচনা করে হোসেইন মোহেব্বি বলেন, রাতের আঁধারে চরম ঝুঁকি ও বিপুল খরচে হরমুজ প্রণালি দিয়ে লুকিয়ে দু-একটি ছোট জাহাজ পার করার অর্থ এই নয় যে প্রণালি খুলে গেছে।
তেহরানের কড়া বক্তব্যের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা কেপলারের তথ্যে জানা গেছে, সেপ্টেম্বর মাসে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলের সরবরাহ কিছুটা পুনরুদ্ধার হয়ে দৈনিক প্রায় ১ কোটি ব্যারেলে পৌঁছেছে, যা যুদ্ধ শুরুর আগের পরিমাণের প্রায় অর্ধেক।





