জাতিসংঘ অধিবেশনে ল্যাভরভ পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে ইউক্রেনকে অবিরত অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, পশ্চিমা দেশগুলোর সহায়তায় কিইভ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রাশিয়ার বেসামরিক নাগরিক ও অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে।
রাশিয়ার ওপর কৌশলগত পরাজয় চাপিয়ে দেওয়ার পশ্চিমা প্রচেষ্টার সমালোচনা করে ল্যাভরভ বলেন, ‘পশ্চিমারা রাশিয়াকে কৌশলগতভাবে পরাজিত করতে চায়, কিন্তু তাদের এই আকাঙ্ক্ষা শেষ পর্যন্ত যুদ্ধবাজদের এক কৌশলগত অচল গলির ভেতরে নিয়ে ঠেকাবে।’
মধ্যপ্রাচ্য সংকট প্রসঙ্গে ল্যাভরভ বলেন, জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের মাধ্যমেই কেবল এ অঞ্চলের মূল সংকটের সমাধান করা সম্ভব।
এ ছাড়া ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীর অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেন ল্যাভরভ। একই সঙ্গে শক্তি প্রয়োগ করে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার ঘটনাকে তিনি ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা গড়ে তোলার চীনা উদ্যোগকে মস্কো সমর্থন করে বলেও জানান তিনি।





