একে একে বলে গেলেন সম্ভাবনাময় অনেকগুলো ক্রিকেটারের নাম। কেউ আছেন জাতীয় দলের রাডারে, কেউ হয়তো এখনো আসেননি পাদপ্রদীপের আলোয়। ঘরোয়া ক্রিকেটে দীর্ঘদিন কাজ করার সুবাদে প্রতিভাদের নিয়ে ভালোই জানা আছে রাজিন সালেহর। তবে, তাদের ঠিক কজন বর্তমানে জাতীয় দলের ব্যাকআপ হতে পারবেন, সেটা নিয়ে সংশয় আছে অভিজ্ঞ এই কোচের।
সামনের ব্যস্ত সূচিতে আড়াই মাসে ৩ ফরম্যাটের ৭ সিরিজ। ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের অংশ হিসেবে জাতীয় দলে আসতে পারেন নতুনরাও, এমন গুঞ্জন আছে ক্রিকেট অঙ্গনে। তবে রাজিন সালেহ মনে করেন, খুব বেশি বিকল্প হাতে নেই ক্রিকেট বোর্ডের। বিষয়টি জাতীয় দলের জন্য বেশ উদ্বেগজনক বলেও মনে করেন তিনি।
বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাবেক অধিনায়ক ও ফিল্ডিং কোচ রাজিন সালেহ বলেন, ‘আমি বলব না যে এনাফ সাপোর্ট আছে বা প্লেয়াররা এনাফ প্লেয়ার আছে যে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট খেলার জন্য। ওই জায়গায় যদি ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেটের মাঝে খেলার মধ্য দিয়ে যদি কিছু কিছু প্লেয়ারকে ইনক্লুড করে অপারচুনিটি দেয়া হয়, তাহলে বুঝতে পারবে যে আমাদের পাইপলাইনটি রেডি আছে কি না। ব্যাকআপ প্লেয়ার রেডি আছে কি না। বাট এই মুহূর্তে পর্যন্ত তো আমি আসলে বলতে পারব না যে রেডি আছে কি না।’
আরও পড়ুন:
সাম্প্রতিক সময়ে টেস্ট ফরম্যাটে সাফল্য পাচ্ছে বাংলাদেশ। অভিজাত সংস্করণেই বেশি নজর দেয়ার তাগিদ রাজিন সালেহর। প্রথমবার কোনো আইসিসি টুর্নামেন্টের ফাইনালে যাওয়ার সুযোগটা হাতছাড়া করতে চান না অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার এবং কোচ। অবশ্য, টেস্ট জেতার তাগিদে একেবারে স্পিনবান্ধব উইকেট তৈরি করে দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যত নষ্ট করার পক্ষেও নন রাজিন সালেহ।
তিনি বলেন, ‘এটা আমাদের জন্য গ্রেট অপারচুনিটি যে আমরা সামনে একটা ভালো জায়গায় যেতে পারি। অবশ্যই টেস্টের ক্রিকেট বোর্ডও চিন্তাভাবনা করছে যে এটা নিয়ে সবাই ফোকাস করছে। আমরাও ঐটা নিয়ে ফোকাস করছি যে কীভাবে বাংলাদেশ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এটলিস্ট ফাইনাল খেলবে। বাট এমন উইকেটের এডভান্টেজ নেয়াও উচিত না যাতে এটা আমার একটা টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পরে আমার ক্রিকেটারদের হ্যাম্পার হয় ফিউচার ক্রিকেটের জন্য।’
অবশ্য, সবকিছুর ছাপিয়ে খেলোয়াড়দের ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট আর ফিজিক্যাল ফিটনেসে জোর দিলেন একসময়ের বাংলাদেশ দলের সেরা এই ফিল্ডার। ফিটনেসের দিকে শিষ্যদের মনোযোগী হওয়ার পরামর্শও থাকছে সামনের ব্যস্ত সময়ে।




