ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার শুরুটা ছিলো দুর্দান্ত। নেস্তরি ইরানকুন্ডার জোরালো শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন ব্রাজিল গোলরক্ষক হুগো সুজা। ২৯ মিনিটে এন্ড্রিককে ফাউল নিয়ে পেনাল্টির আবেদন করে ব্রাজিল, তবে ভিএআরের পরও সিদ্ধান্ত বদলায়নি।
৪৫ মিনিটে এস্তেভাও গোল করলেও ভিএআর পর্যালোচনায় বিল্ডআপে ফাউল ধরা পড়ায় গোল বাতিল হয়। উত্তেজনাপূর্ণ প্রথমার্ধ শেষ হয় ০-০ সমতায়। দ্বিতীয়ার্ধে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের পাস থেকে রাফিনহার শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
এরপর এস্তেভাওয়ের প্রচেষ্টাও কাজে আসেনি। ৬৮ মিনিটে বিপজ্জনক জায়গায় ফ্রি-কিক থেকে দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়ান নেস্তোরি ইরানকুন্ডা। তাতেই টাউনসভিলে ব্রাজিলকে ১-০ গোলে পিছনে ফেলে এগিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।
যোগ করা সময়ে অস্ট্রেলিয়ার বক্সে চাপ বাড়ায় সেলেসাওরা। ম্যাচের অন্তিম মিনিটে রাফিনিয়ার নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে গোল করে সমতা ফেরান রায়ান।





