পার্লামেন্টে দেয়া ভাষণে স্পিকার গালিবাফ বলেন, ‘একদিকে লড়াই ও অন্যদিকে আলোচনার নীতিতেই আমাদের এগোতে হবে। সংকটময় মুহূর্তে পূর্ণ সামরিক শক্তি ব্যবহার করে শত্রুকে পেছনে ঠেলে দিতে হবে এবং তাদের ওপর বিধ্বংসী আঘাত হানতে হবে। এরপর রণক্ষেত্রে বড় সাফল্যের মাধ্যমে শত্রু যখন দুর্বল অবস্থানে পৌঁছাবে, তখন অর্জিত সাফল্য ধরে রাখতে কূটনীতি ব্যবহার করতে হবে।’
ইরানের আলোচনার অবস্থানকে যুক্তিযুক্ত ও অপরিবর্তনযোগ্য উল্লেখ করে গালিবাফ জানান, ওয়াশিংটন তাদের সব প্রতিশ্রুতি পূরণ না করা পর্যন্ত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধই থাকবে।
তেহরানের এই কঠোর অবস্থানের মধ্যেই জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা শুরু করার আগে তেহরান যে সাতটি শর্ত নির্ধারণ করেছে, তা ইতোমধ্যেই মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান ও কাতারকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে।





