ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে মস্কোর ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে সম্প্রতি মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে একটি নতুন নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক বিল পাস হয়। বিলটি এখন চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরের অপেক্ষায় রয়েছে। এই বিলের মাধ্যমে রাশিয়া থেকে তেল কেনা কমাতে ভারত ও চীনসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে ট্রাম্পকে।
বিলটি পাসের পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, তারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং এর ফলে দুই দেশের সম্পর্ক ও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, তা স্পষ্টভাবে ওয়াশিংটনকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় আরও জানায়, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং বাজারের গতিপ্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন উৎস থেকে তেল কেনা অব্যাহত রাখবে নয়াদিল্লি।
বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল আমদানিকারক দেশ ভারত। ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রাশিয়ার অন্যতম শীর্ষ তেল ক্রেতা হয়ে ওঠে দেশটি। ভারতের অভ্যন্তরীণ তেল শোধনাগারগুলো ইতিমধ্যে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের জন্য রুশ তেল আমদানির ব্যবস্থা করে রেখেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে শুল্ক আরোপের এই পদক্ষেপ ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লির মধ্যকার চলমান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রই ভারতের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার।





