গত ২১ আগস্ট মৌসুম শুরুর কথা থাকলেও এক ধাপ পিছিয়ে ১৮ সেপ্টেম্বর লিগ শুরুর দিনক্ষণ ঠিক করেছিল বাফুফে। যদিও তাতে আপত্তি জানিয়ে খেলা শুরুর দিনক্ষণ পেছাতে বাফুফের কাছে চিঠি দেয় বেশ কিছু ক্লাব। সেখানেও স্বাক্ষর জালিয়াতিসহ নানা কারণে সমালোচনার মাঝে নিজ সিদ্ধান্তে অনড় থাকে বাফুফে।
ফুটবলের স্বার্থে শেষ পর্যন্ত বাফুফের সিদ্ধান্ত মেনে সূচি অনুসারেই লিগ খেলতে রাজি মোহামেডান ও ব্রাদার্স ইউনিয়ন। যদিও বাফুফের এমন সিদ্ধান্তে খুশি নয় মোহামেডান। দেশের ফুটবলের অভিভাবক সংস্থার কাছে প্রাপ্য সম্মান না পাওয়ার আক্ষেপও ছিল ক্লাব কর্তাদের কণ্ঠে।
মোহামেডাম স্পোর্টিং ক্রাবের ডিরেক্টর ইনচার্জ লোকমান হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘সম্মানটা কিন্তু আমাদেরকে তারা দেয়নি। আমি একদম দৃঢ়কণ্ঠে বলব, তারা আমাদের সঙ্গে প্রচণ্ডভাবে বিমাতাসুলভ আচরণ করেছে।’
বাফুফের সিদ্ধান্ত মানলেও নিজেদের ম্যাচসূচি নিয়ে অসন্তুষ্ট মোহামেডান। সাদা-কালো শিবিরের বিশ্বাস, পরিস্থিতি বিবেচনায় তাদের ম্যাচের সূচিগুলো নিয়ে কাজ করবে বাফুফে।
তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের কাছে আবেদন করেছি, যে ঠিক আছে, আমরা খেলতে রাজি আছি। তবে আমাদের যে খেলাটা আছে, এই খেলাটা আবার রিশিডিউল করে দেয়া হোক। কারণ, আমাদের জাতীয় দলে নয়জন প্লেয়ার আছে। বেস্ট ইলেভেন খেলেই হচ্ছে ১১ জন, ৯ জনই যদি না থাকে, তা আমরা খেলব কীভাবে?’
এদিকে বাফুফের অনড় সিদ্ধান্তে বেকায়দায় ব্রাদার্স ইউনিয়ন। মাত্র একবেলার অনুশীলনে লিগ খেলতে নামায় কাঙ্ক্ষিত ফলাফল নিয়ে আছে শঙ্কা।
ব্রাদার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ আরেফ বলেন, ‘প্রস্তুতি ছাড়াই কালকে খেলতে যাচ্ছি। তিনটা পয়েন্ট লস হয়ে গেল। এটা লীগেতে এই তিন পয়েন্ট কাভার করা কিন্তু খুব টাফ। কারণ এবার যে টিম হইছে, সবই কিন্তু মোটামুটি পিছে পিছে লাগা লাগায়।’
নানা নাটক শেষে অনেকটা অগোছালো অবস্থায় শুরু হতে যাচ্ছে বিএফএল। এমন টুর্নামেন্ট থেকে দেশের ফুটবল কতটা উপকৃত হবে, সে প্রশ্ন থেকেই যায়।





