তবে উদ্ধার অভিযানে কোনো বিশেষায়িত দল অংশ নেয়নি। স্থানীয়রা সাধারণ যন্ত্রপাতি দিয়ে বালুময় মাটি থেকে জীবিতদের টেনে বের করার চেষ্টা করে। বাকিদের সন্ধানে ভারী যন্ত্রপাতির প্রয়োজন বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। তবে ধ্বংসস্তূপের নিচে কতজন আটকা পড়ে আছে তা এখনো অজানা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাশাপাশি অনেক খনির মুখ একসঙ্গে হওয়ায়, একটিতে ধস হলে, পাশের কয়েকটি খনিও ধসে পড়ে। পশ্চিম কর্দোফান অঞ্চলটি আধাসামরিক আরএসএফ-এর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যারা ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে আসছে।
সুদান সরকারের অভিযোগ, আরএসএফ-এর কারণে পর্যাপ্ত সুরক্ষা ও উদ্ধার সরঞ্জামের পাঠানো সম্ভব হয়নি। অবিলম্বে অবৈধ খনিগুলো বন্ধের আহ্বান জানায় তারা।





