রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বহু ত্যাগ-তিতিক্ষা, রক্তপাত ও সন্তানদের প্রাণের বিনিময়ে একটি ফ্যাসিস্ট সরকারকে সরিয়ে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এখন গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার সুযোগ এসেছে।’
তিনি বলেন, ‘একটি নির্বাচন হয়েছে, যা আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য হয়েছে। সেই নির্বাচনের মাধ্যমে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয়েছে। এই সরকার দ্রুততার সঙ্গে দেশকে একটি ভগ্নস্তূপ থেকে পুনরায় জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করছে।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাংলাদেশে যারা গণতন্ত্রের পক্ষে কাজ করেন, তারা অনেকটা ফিনিক্স পাখির মতো। ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পরও ধ্বংসস্তূপ থেকে আবার সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।’
গণতন্ত্র রক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র পেয়েছি। এখন গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই সবচেয়ে বড় কাজ ও দায়িত্ব। সরকারি দল ও বিরোধীদলের প্রধান দায়িত্ব হবে গণতান্ত্রিক অবস্থাকে টিকিয়ে রাখা।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘সংসদকে কার্যকর করতে হবে। সংসদ যেন যথাযথভাবে কাজ করতে পারে, সে চেষ্টা করতে হবে। অন্যান্য বিষয়ে মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে আলোচনা ও আলাপের মাধ্যমে এসব দ্বিমত সমাধান করা সম্ভব।’
আগামীর চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘অতীতে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করতে হয়েছে, আর সামনের লড়াই হচ্ছে দেশ পুনর্গঠন ও গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার। একই সঙ্গে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সত্যিকার অর্থে বাসযোগ্য দেশ গড়ে তুলতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষ বারবার গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছে, আবার বারবার বাধার মুখে পড়েছে। এবার সেই সুযোগ এসেছে। এই সুযোগ যেন অবহেলায় হারিয়ে না যায়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।’
সিলেটের বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘নাগরিকদের পক্ষ থেকে সিলেটের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরা হয়েছে। এসব বিষয়ে স্থানীয় মন্ত্রী ও জনপ্রতিনিধিরা কাজ করছেন। ইতোমধ্যে অনেক বড় কাজ সামনে এসেছে এবং ইনশাআল্লাহ সেগুলো এগিয়ে যাবে।’
এসব উদ্যোগের মাধ্যমে সিলেটবাসীর দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।





