দ্বাদশ বিপিএলের প্লেয়ার্স ড্রাফটের ঠিক আগে বিসিবির কাছে জমা পড়ে ফিক্সিং ইস্যুতে অ্যালেক্স মার্শালের প্রায় ৯০০ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন। এরপরই ড্রাফট তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয় ৯ ক্রিকেটারকে। মুহূর্তেই শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। কী ছিল সেই প্রতিবেদনে? আর কেনই বা বাদ পড়লেন এই ৯ ক্রিকেটার?
প্রায় ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও প্রকাশ্যে আসেনি ৯ ক্রিকেটারের বিষয়ে বিসিবির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। তারা কি সত্যিই কোনো অনিয়মে জড়িত ছিলেন, নাকি তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি- মেলেনি স্পষ্ট উত্তর। বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের সদস্য ব্যারিস্টার মাহিন এম রহমানও বিষয়টি নিয়ে পরিষ্কার করে কিছু জানাননি।
বিসিবি ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের জেনারেল কাউন্সেল ব্যারিস্টার মাহিন এম রহমান বলেন, ওভারঅল এই সেক্টরটাতে কি ইমপ্রুভমেন্ট দরকার, এখানে কি কি প্রবলেমস আছে—এই জিনিসটা উনারা ৯০০ পেজে আইডেন্টিফাই করেছেন। সেই জায়গাটাতে এসব অ্যালিগেশনগুলোও এসেছিল। এবং সেই সময় যখন অ্যালেক্স মার্শালকে এই জিনিসটা হ্যান্ডওভার করা হয়, ওইটার ভিত্তিতেই কিন্তু বলা হয়েছে যে বিভিন্ন অ্যালিগেশনস আছে। আর একটা জিনিস হলো, বিপিএলে খালি নয়জন না, যতগুলো মানুষ ওইখানে নেমড ছিল, ডোমেস্টিক, ফরেন অ্যান্ড এভরিওয়ান, সবারটাই আসলে নট ইন ডিসইনভাইট করা হয়েছে। তারা কিছু ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং বের করে দিয়েছে। ওইটা অ্যান্টি-করাপশন কোড বা কোনো কিছুর প্রসিডিং ছিল না আদতে। উনারা গিল্টিও না।
তদন্ত কমিটির প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল বলছেন, তদন্তের ভিত্তিতে কোনো বিষয়ে সর্বোচ্চ পরামর্শ দিতে পারে কমিটি। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের। অর্থাৎ, ৯ ক্রিকেটারকে ঘিরে সিদ্ধান্তের অপেক্ষা এখনো শেষ হয়নি।
এছাড়া পরবর্তীতে তদন্ত করে বিপিএল সংশ্লিষ্ট তিনজনকে শাস্তি দিয়েছে বিসিবি। ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের দাবি, আরও কয়েকজনের বিষয়ে দ্রুতই আসতে পারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।





