সাধারণত চীন থেকে কূটনৈতিক চাপের আশঙ্কায় যেসব দেশের সঙ্গে তাইওয়ানের আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক নেই, সেখানে তাইওয়ানের কোনো উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা সফর করেন না। ফলে সিয়াও বি-খিমের এই সফরকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ভাইস প্রেসিডেন্ট পিনা পিচিয়ার্নো জানান, নিরাপত্তার স্বার্থে এবং সফর নিশ্চিত করতেই সিয়াওয়ের আগমনের মুহূর্ত পর্যন্ত বিষয়টি সম্পূর্ণ গোপন রাখা হয়েছিল।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে পিনা পিচিয়ার্নো বলেন, ‘ইউরোপের মাটিতে কারা অতিথি হবেন এবং কার কণ্ঠস্বর শোনা যাবে, তা নির্ধারণ করে দেয়ার অধিকার কারও নেই। কোনো ধরনের ভয় দেখানোর ওপর ভিত্তি করে গণতান্ত্রিক আলোচনা নির্ধারিত হতে পারে না। একনায়কতন্ত্রের কাছে স্বাধীনতার সঙ্গে আপস করা হবে না।’
ইতালির ভেনটোতেন দ্বীপে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে ২০২২ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ইউক্রেনের নাগরিক অধিকারকর্মী ওলেকসান্দ্রে মাতভিচুকও অংশ নিচ্ছেন। বেশির ভাগ পশ্চিমা দেশের মতো ইতালির সঙ্গেও তাইওয়ানের কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। চীন সব সময় তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে, যা তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করে আসছে স্বাধীন ও গণতান্ত্রিকভাবে শাসিত তাইওয়ান।





