গতকাল (বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর) রিপাবলিকান পার্টির মধ্যবর্তী নির্বাচনি কনভেনশনে অংশ নিতে টেক্সাস যাওয়ার পথে এবং সেখানে আয়োজিত সমাবেশে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, স্বল্পমেয়াদি অর্থনৈতিক কষ্ট স্বীকার করে হলেও তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা থেকে বিরত রাখতে এই যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমার মনে হয় নির্বাচনের পরপরই যুদ্ধ শেষ হয়ে যাবে। কারণ তারা আর বেশি দিন টিকে থাকতে পারবে না।’ তিনি আরও দাবি করেন, মার্কিন নির্বাচনে প্রভাব ফেলার জন্য ইরান মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছে, যাতে ওয়াশিংটনে একটি ‘দুর্বল গোষ্ঠী’ ক্ষমতায় আসতে পারে এবং ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সুযোগ দেয়। তবে নিজের এই দাবির সপক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি ট্রাম্প।
টানা সাত মাসে গড়ানো এই যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম হু হু করে বাড়ায় ট্রাম্পের নিজস্ব দল রিপাবলিকান পার্টির ভেতরেই ক্ষোভ বাড়ছে। আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে আইনসভার উচ্চ ও নিম্নকক্ষের ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার এই মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সংঘাত ও জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। সম্প্রতি মার্কিন বাহিনী ইরানের পাঁচটি তেলের ট্যাংকারে হামলা চালানোর পর জবাবে হরমুজ প্রণালিতে দুটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ার ও আটটি তেলের ট্যাংকারে আঘাত হানার দাবি করেছে তেহরান। একই সময়ে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের বেশ কয়েকটি তেলের স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এর সরাসরি প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম গত বুধবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে।





