গত ফেব্রুয়ারি থেকে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। তবে স্থবির হয়ে পড়া এ প্রক্রিয়া আবারও সচল করতে মস্কো ও কিয়েভে মধ্যস্থতাকারী পাঠিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সম্প্রতি জানান, উভয় পক্ষের জন্য গ্রহণযোগ্য সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনার একটি পথনকশা তৈরি করা সম্ভব হতে পারে। তারই প্রতিক্রিয়ায় পেসকভ জানান, সম্ভাব্য সমঝোতার সুনির্দিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা করা না হলেও আলোচনা শুরুর বিষয়ে স্পষ্ট রাজনৈতিক সদিচ্ছা রয়েছে।
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ট্রাম্পের ফোনালাপের পরদিন পেসকভ বলেন, ‘আমরা আশা করছি অদূর ভবিষ্যতেই এই আলোচনা শুরু হবে এবং এ বিষয়ে মার্কিন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ রয়েছে।’ সাড়ে চার বছর ধরে চলা এ যুদ্ধে ভূমি ছেড়ে দেয়ার রুশ দাবি ইউক্রেন প্রত্যাখ্যান করায় দুই দেশের মধ্যে এখনো বড় ধরনের দূরত্ব রয়ে গেছে।
পেসকভ আরও জানান, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বন্দিবিনিময়ের বিষয়টি আলোচনার নিয়মিত অংশ। ট্রাম্পের অনুরোধে গত মাসে রবার্ট গিলম্যান নামের এক মার্কিন বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে রাশিয়া। এর আগে ২০২৪ সালের আগস্টেও দেশ দুটি বড় পরিসরে বন্দিবিনিময় করেছিল।





