ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, এসবিইউ প্রধান ওলেক্সান্দর পোকলাদের কার্যালয় লক্ষ্য করে সরাসরি ড্রোনটি আঘাত হানে। টেলিগ্রামে এক বার্তায় জেলেনস্কি বলেন, আমি এই হামলার যথোপযুক্ত ও দৃশ্যমান জবাব দেয়ার নির্দেশ দিয়েছি, যাতে সম্ভব হলে একই ধরনের পাল্টা আঘাত হানা যায়।
এসবিইউ প্রধানের সঙ্গে বৈঠকের ছবি প্রকাশ করে তিনি জানান, হামলার বিপরীতে পাল্টা জবাব দেয়ার সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে এবং লক্ষ্যস্থলও নির্ধারণ করা হয়ে গেছে। রাশিয়ার ভূখণ্ডের গভীরে এবং জ্বালানি অবকাঠামোয় দূরপাল্লার ড্রোন ও নাশকতামূলক হামলা পরিচালনায় এসবিইউ মূল ভূমিকা পালন করে আসছে।
অধিকৃত ক্রিমিয়ার সঙ্গে রাশিয়ার সংযোগকারী সেতুতে হামলা ও রাশিয়ার কৌশলগত বোমারু বিমান লক্ষ্য করে চালানো একাধিক অভিযান পরিচালনা করেছে সংস্থাটি। একই সঙ্গে রাশিয়ার শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে চালানো গোপন অভিযানের পেছনেও তাদের ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করা হয়।
মার্কিন মধ্যস্থতাকারী স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের মস্কো ও কিয়েভ সফরের ঠিক আগমুহূর্তে এ হামলার ঘটনা ঘটলো। জেলেনস্কি জানান, রোববার দুই মার্কিন দূত কিয়েভ সফরে আসবেন। এ সফর চলাকালে রাশিয়াকে বিমান হামলা বন্ধ রাখার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি মস্কোয় তাদের পৌঁছানোর সুবিধার্থে ইউক্রেন রাশিয়ার আকাশসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বলে জানান তিনি।
ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা বলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠার নতুন উদ্যোগের মধ্যেই মস্কো এই হামলা চালাল, যা কূটনীতিকে তাদের সরাসরি প্রত্যাখ্যানের প্রমাণ। হামলার ফলে ইউনেস্কো স্বীকৃত সেন্ট সোফিয়া ক্যাথেড্রালের কাছের ঐতিহাসিক এলাকা কেঁপে ওঠে এবং ভবনের জানালাগুলো ভেঙে পড়ে। এসবিইউ ভবনের ঠিক উল্টো পাশে থাকা বিখ্যাত ক্যাফে জাভেরতাইলোর অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। টানা ১০ দিন ধরে কিয়েভে রাশিয়ার ড্রোন হামলা অব্যাহত রয়েছে।





