স্যাম অল্টম্যান বলেন, ‘আমরা নিশ্চিতভাবেই একটি হিউম্যানয়েড বা মানুষের মতো রোবট তৈরি করবো। এর পাশাপাশি অন্যান্য কাঠামোর রোবটও তৈরি করা হবে।’ তবে তিনি উল্লেখ করেন, রোবটের শরীর তৈরির তুলনায় সেটিকে পরিচালনা করার মতো বুদ্ধি বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মস্তিষ্ক তৈরি করাই মূল চ্যালেঞ্জ। অল্টম্যান বলেন, ‘আমার মতে, রোবটের শরীরের চেয়ে রোবটটি কীভাবে কাজ করবে সেই মস্তিষ্ক বের করা বেশি জটিল।’
মানুষের মতো আকৃতির রোবট বেছে নেয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অল্টম্যান বলেন, ‘এই পৃথিবী মূলত মানুষের ব্যবহারের উপযোগী করেই গড়ে তোলা হয়েছে। দরজা খোলা, কম্পিউটারে টাইপ করা কিংবা রান্নাঘর পরিষ্কারের মতো কাজগুলো মানুষের শরীরের কথা মাথায় রেখেই তৈরি। তাই মানুষের অবয়বের সঙ্গে মিলিয়ে যন্ত্র তৈরি করা যুক্তিযুক্ত।’
সবার ঘরে ঘরে এমন রোবট থাকবে কি না এমন প্রশ্নে অল্টম্যান বলেন, ‘প্রথম ধাপে অবকাঠামো ও উৎপাদন শিল্পে রোবট বেশি ব্যবহৃত হবে।’ তবে ভবিষ্যতে প্রতিটি মানুষের একটি নিজস্ব ব্যক্তিগত রোবট থাকা উচিত বলে তিনি মনে করেন।
এদিকে বিশেষজ্ঞ মহলের ভাষ্য অনুসারে, রোবটের মস্তিষ্ক তৈরি এখনো জটিল পর্যায়ে রয়েছে। টয়োটা রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী গিল প্র্যাট জানান, রোবটের মস্তিষ্কের খুব সামান্য অংশই এখন পর্যন্ত সমাধান করা সম্ভব হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যদি যুক্তি প্রয়োগ ও বাস্তব পরিস্থিতি অনুধাবনের ক্ষেত্রে কার্যকর উন্নতি করতে না পারে, তবে এই খাতটি প্রত্যাশার চেয়ে পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকিতে থাকবে।
—ফোর্বসের প্রতিবেদন অবলম্বনে





