ইউক্রেনীয় বিমানবাহিনীর তথ্যানুযায়ী, বুধবার রাশিয়া ১৭৪টি ড্রোন ও চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। দিনিপ্রোর আঞ্চলিক সামরিক প্রশাসনের প্রধান ওলেক্সান্দর হানঝা জানান, হামলায় একটি খাদ্যগুদাম ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সেখানে হতাহতের ঘটনা ঘটে। ওডেসা অঞ্চলে একটি ২৪ তলা আবাসিক ভবনে ড্রোন আঘাত হানায় শিশুসহ আটজন আহত হয়েছেন। এছাড়া রাজধানী কিয়েভে টানা সপ্তম দিনের মতো বিমান হামলা চালানো হয়েছে।
হামলার তীব্রতা বৃদ্ধির মধ্যে পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দুই দেশের শীর্ষ নেতারা। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বিদেশি এয়ারলাইনসগুলোকে সতর্ক করে বলেন, ইউক্রেনীয় ড্রোনের কারণে রাশিয়ার আকাশসীমা কার্যত বন্ধ হয়ে আসছে এবং মস্কোকে আলোচনায় বসতে বাধ্য করতেই এই সামরিক চাপ দেয়া হচ্ছে।
জেলেনস্কির বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একে ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ’ আখ্যা দিয়ে বলেন, সন্ত্রাসীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা হবে না। কিরগিজস্তানের বিশকেকে এক সংবাদ সম্মেলনে পুতিন ইঙ্গিত দেন, ইউক্রেনকে দূরপাল্লার ড্রোন সরবরাহ করলে প্রয়োজনে যুক্তরাজ্যের সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানার বিষয়টিও রাশিয়া বিবেচনা করতে পারে।
এদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, তারা রাতভর ইউক্রেনের ১৩০টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। তবে সীমান্তবর্তী বেলগোরোদের গভর্নর জানান, ইউক্রেনীয় হামলায় সেখানে দুজন নিহত ও ১৬ জন আহত হয়েছেন। মার্কিন গবেষণা সংস্থা ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ারের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের সম্মুখ সমরে রুশ বাহিনীর অগ্রসর হওয়ার গতি অনেকটাই থমকে গেছে।





