শেষ মুহূর্তে স্বস্তি, ফিফার নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত ফকিরেরপুল

ফকিরেরপুল ফুটবল ক্লাব
ফকিরেরপুল ফুটবল ক্লাব | ছবি: এখন টিভি
0

দলবদল সীমার মাত্র দিনদুয়েক আগে ফিফার নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি পেয়েছে পুরান ঢাকার ক্লাব ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্স। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তির পরেই দলবদলের ব্যস্ততা শুরু হয়েছে ক্লাবটিতে। সীমিত বাজেটেই টিকে থাকার লড়াই করতে চান ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলী।

এখন টিভির সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বারবারই নিজ এলাকাবাসীর কথাই বলছিলেন ফকিরেরপুলের সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলী। আবাহনী বা বসুন্ধরা কিংসের মতো আর্থিক সামর্থ্য নেই। ফিফার তিন নিষেধাজ্ঞা উঠাতে তাই সময় লেগেছে সবচেয়ে বেশি। তবুও লড়াইয়ের হয়েছে শেষ। ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্স খেলবে আগামী মৌসুমে। শুক্রবার মধ্যরাতের পর থেকে ফিফার ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞার তালিকায় নেই বাংলাদেশের এ ক্লাবের নাম।

ফকিরেরপুল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আহমদ আলী বলেন, ‘বসুন্ধরার অবস্থায় সেম ছিলো, আবাহনীও ছিলো। তো আমরা আমাদের—তাদের হিসাব আর আমাদের হিসাব তো আলাদা। কারণ আমরা ছোট একটা টিম। আমরা ফুটবলপ্রেমিক, আমরা ফুটবল—আমি নিজেও ফুটবল খেলেছি।’

খুব বেশি পুঁজি নেই ক্লাব চালিয়ে নেয়ার মতো। তারপরেও দল গোছানোর প্রাণান্ত চেষ্টা। হাতে সময় ৪৮ ঘণ্টা। আগামীকালের (বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর) মধ্যে অন্তত মাঠে খেলার মতো একটি স্কোয়াড দাঁড় করাতে চান স্থানীয় এই ফুটবল সংগঠক।

ফকিরেরপুল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আহমদ আলী বলেন, ‘প্লেয়াররা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে সবসময়। আমাদের অবস্থা তারাও দেখছে। আমরাও চেষ্টা করছি, ওরাও—ওদেরও একটা সহানুভূতি ছিলো। টিম করছি। আমরা তো আর ফাইটিং টিম করতে পারবো না।’

পুরাতন খেলোয়াড়রা নাহয় বিশ্বস্ততার প্রমাণ দিয়েছেন। তবে, ফকিরেরপুল ছুটবে কতদূর? দুর্যোগের পর অবশ্য হারিয়ে যেতে নারাজ ক্লাবটি। বরং আসন্ন লিগে মিড টেবিলের লড়াইয়ে থাকার প্রত্যাশা তাদের।

সাধারণ সম্পাদক আহমদ আলী বলেন, ‘টিমের অর্গানাইজটা ছোট হইতে পারে, প্লেয়ারদের যে স্পিরিট তা যদি বড় টিমের এগেইনস্টে প্লেয়ার ছোট টিম তো ভালো খেলে। আগামী দুইদিনের মধ্যে আমাদের যদি টিম হয়ে যায়, আমরা ফাইট করব।’

তবে মাঠের ফলাফল যেমনই হোক, আর কখনো ফিফার নিষেধাজ্ঞার বেড়াজালে আটকাতে চান না ফকিরেরপুলের এ কর্মকর্তা।

জেআর