বৈঠকে রাশিয়ার সহায়তার জন্য পুতিনকে ধন্যবাদ জানান মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলায় দুই দেশকে যৌথভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। জবাবে পুতিন জানান, এই কঠিন সময়ে ইরানকে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও জরুরি পণ্য সরবরাহ করছে রাশিয়া।
একই সময়ে হরমুজ প্রণালির কাছে একাধিক ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর ওপর আক্রমণে জড়িত থাকা ইরানি লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত হানা হয়েছে। এর আগে রোববার লারাক দ্বীপে দুটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক কেন্দ্র ধ্বংস করে মার্কিন বাহিনী, যার জবাবে জর্ডানে অবস্থানরত মার্কিন সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল ইরান।
সামরিক অভিযানের পাশাপাশি ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে নতুন পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। নর্থ ক্যারোলাইনার অ্যাশভিলে আয়োজিত জি২০ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানান, চলতি সপ্তাহেই একটি ইরানি ব্যাংকের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা দেয়া হতে পারে। পাশাপাশি ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরের (আইআরজিসি) সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও উড়োজাহাজ লিজ প্রদানকারী কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। স্কট বেসেন্ট বলেন, ‘আমরা এই শাসনব্যবস্থাকে অর্থনৈতিকভাবে শ্বাসরুদ্ধ করতে যাচ্ছি।’
ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে ড্রোন প্রযুক্তি দিয়ে সহায়তা করেছে ইরান। অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় পাল্টা আঘাত হানতে তেহরানকে প্রয়োজনীয় লক্ষ্যবস্তুর তথ্য দিয়ে সহায়তা করছে মস্কো। সম্মেলনে এসসিও জোটের সদস্য দেশগুলো ইরানের ওপর সামরিক হামলা এবং একতরফা নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে।




 and Syrian Foreign Minister Asaad al-Shibani-320x167.webp)
