আর্থিক ক্ষতি পোষাতে বিকল্প ভাবনায় বিসিবি ও ক্রিকেটাররা

অনুশীলনে ব্যস্ত  ক্রিকেটাররা
অনুশীলনে ব্যস্ত ক্রিকেটাররা | ছবি: এখন টিভি
0

মাঠের খেলা নয়, আপাতত নিজেদের আর্থিক বিষয় নিয়েই টানা দ্বিতীয় দিন ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। বিপিএল না হলেও ক্রিকেটারদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে চায় বোর্ড। সেজন্য নতুন টুর্নামেন্ট বা ম্যাচ ফি বাড়ানো হতে পারে ঘরোয়া আসরে।

নামে দেশি ক্রিকেটের সর্বোচ্চ আসর হলেও সাম্প্রতিক সময়ে বিপিএল নিয়েই সবচেয়ে বেশি সমালোচনায় ক্রিকেটাররা। পেমেন্ট বকেয়া, ম্যাচ কিংবা স্পট ফিক্সিং বিতর্ক বিপিএলের সঙ্গী অনেকদিন ধরেই। তবে, ক্রিকেটারদের পকেটও ভারি হয় বিপিএলের সুবাদেই। তাই আগামী বছর বিপিএল বন্ধের খবরে ক্রিকেটাররা উদ্বিগ্ন আর্থিক ইস্যুতে।

গতদিন একদফা আলোচনার পর মঙ্গলবার আবারও নিজেদের অবস্থান জানতেই বিসিবিতে হাজির ক্রিকেটাররা। বোর্ডও তাদের শুনিয়েছে আশ্বাসের বাণী

ক্রিকেটার সাইফ হাসান বলেন, বিপিএল যেহেতু হচ্ছে না অবশ্যই আমাদের একটা লস হচ্ছে, বাট বিসিবি আমাদের জন্য খুব ভালো একটা চিন্তা করেছে। যেখানে শুধু বিপিএলের প্লেয়ার না, বাট আমাদের ডোমেস্টিক সার্কিটের যে ২০০ টা প্লেয়ার বা যতটা প্লেয়ার আছে সবার জন্য বেনিফিশিয়াল হবে আর কি। সো বোর্ড জানিয়ে দিবে কবে কি মানে জানায় দিবে সবকিছু। সো এটাই আর কি আজকে একটা ফ্রুটফুল ডিসকাশন হয়েছে।

বিপিএল না হলে ঘরোয়া ক্রিকেটের অন্যান্য আসর থেকে নিজেদের আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চান ক্রিকেটাররা। সেজন্য অবশ্য দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার দিকে হাঁটতে চান ক্রিকেটাররা।

কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিথুন বলেন, বিপিএলের যে ক্ষতি ওইটা পূরণ করা এই মুহূর্তে সম্ভব না। এই বছর চিন্তা না করে ইন ফিউচার যেন আমাদের ফিউচার স্টাররা এসে এটা এই এটার মাধ্যমে আরও বেশি বেনিফিটেড হতে পারে আমরা সেটা নিয়েই আলোচনা করেছি।

অবশ্য এত আলোচনার মাঝেও নতুন পদক্ষেপ কী, সেটা জানাতে পারেননি ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াবের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মিথুন।

মোহাম্মদ মিথুন বলেন, যতগুলো আলোচনা হয়েছে সব বিষয়েই তারা খুবই পজিটিভ রেসপন্স করেছে এবং উইদিন শর্ট টাইম, কারণ এটা তো বিসিবির বোর্ড মিটিংয়ে পাস হতে হবে, তো উইদিন শর্ট টাইম এই এটা আপনাদেরকে জানিয়ে দিবে।

যদিও এত আলোচনার বাইরে বিপিএলকে পরের বছর আবার ভালোভাবে ফিরে পাওয়ার কথাও বলে গেলেন ক্রিকেটাররা।

ইএ