প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার ছয় উপজেলায় ৬৭ জনের ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় আটজন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় দুজনসহ মোট ১০ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে।
জেলায় জুলাই মাসে ৭২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হলেও আগস্টে আক্রান্ত হয়েছেন ১৪৫ জন। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে।
ছয় উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে ফেনী সদর উপজেলায়। আগস্টে এখানে ৯৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন। জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সদর উপজেলায় মোট আক্রান্ত ১৫৩ জন।
এছাড়া দাগনভূঞায় আগস্টে ১১ জনসহ মোট ৩৫ জন, সোনাগাজীতে ১৪ জনসহ মোট ২৩ জন, ছাগলনাইয়ায় ১১ জনসহ মোট ১৬ জন, পরশুরামে দুজনসহ মোট ১০ জন এবং ফুলগাজীতে নয়জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন।
সিভিল সার্জন কার্যালয় জানিয়েছে, চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২০৮ জন। এর মধ্যে ১৯১ জন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ১৭ জন। এখন পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গুতে কারও মৃত্যু হয়নি।
চলতি বছর ডেঙ্গু শনাক্তের জন্য ১ হাজার ৮০৮টি পরীক্ষার কিট মজুত রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এদিকে, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর ফেনীতে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে। ২০২৫ সালে জেলায় মোট ২০১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হলেও চলতি বছরের আট মাসেই সেই সংখ্যা ছাড়িয়ে ২৪৬ জনে পৌঁছেছে।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. আরিফুজ্জামান বলেন, ‘বর্ষা মৌসুমে জমে থাকা পানি ও এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরি হওয়ায় ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি ব্যক্তিগত সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’





