নির্দেশনা অনুযায়ী, অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ৩ শতাংশ সুদ বা মুনাফা হারে পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা পাবে। আর গ্রাহক পর্যায়ে ঋণের সুদ বা মুনাফার হার সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ হবে। শরীয়াহভিত্তিক অর্থায়নের ক্ষেত্রেও মুনাফার হার ৭ শতাংশের বেশি হতে পারবে না।
ঋণের মেয়াদ খাত ও প্রকল্পভেদে নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্দিষ্ট খাতে ঋণের সর্বোচ্চ মেয়াদ হবে ১৮ মাস, যার মধ্যে তিন মাস পর্যন্ত গ্রেস পিরিয়ড থাকবে। অন্যদিকে, অন্যান্য নির্ধারিত খাত ও প্রকল্পে ঋণের মেয়াদ সর্বোচ্চ ৩৬ মাস এবং এ ক্ষেত্রে তিন থেকে ছয় মাস পর্যন্ত গ্রেস পিরিয়ড দেওয়া যাবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংকগুলো পুনঃঅর্থায়ন গ্রহণের তারিখ থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আসল ও ৩ শতাংশ সুদ বা মুনাফা বাংলাদেশ ব্যাংককে পরিশোধ করবে।
তহবিলের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার না হলে অথবা গ্রাহকের কাছ থেকে ৭ শতাংশের বেশি সুদ বা মুনাফা আদায় করা হলে সংশ্লিষ্ট অর্থের ওপর নির্ধারিত হারের অতিরিক্ত ২ শতাংশ সুদ বা মুনাফা ধার্য করে এককালীন আদায় করা হবে।
এ ছাড়া, গ্রাহক পর্যায়ে ৭ শতাংশ সুদ বা মুনাফায় ঋণ বিতরণের বিষয়টি জানিয়ে ব্যাংকের শাখার ভেতরে ও বাইরে দৃশ্যমান স্থানে ব্যানার স্থাপন করতে হবে। পাশাপাশি, বিশেষ প্রচারণার মাধ্যমে এ রেয়াতি ঋণ সুবিধার বিষয়ে গ্রাহকদের জানাতে হবে।
সংশোধিত নির্দেশনায় উল্লেখ করা বিষয় ছাড়া আগের সার্কুলারের অন্যান্য শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। নির্দেশনাটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়।—বাসস





