অভিনন্দন বার্তায় শি জিনপিং বলেন, ‘চীন ও বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধুতপ্রতীম প্রতিবেশী দেশ। পরিবর্তনশীল আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির মধ্যেও এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অটুট রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫১ বছরে দুই দেশ সবসময় একে অপরকে সম্মান করেছে এবং সমতার ভিত্তিতে আচরণ করেছে। নিজ দেশের মূল স্বার্থ ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরস্পরকে সহযোগিতা করেছে। একই সঙ্গে আধুনিকায়নের পথে হাতে হাত মিলিয়ে এগিয়ে চলেছে।’
আরও পড়ুন:
শি জিনপিং বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্ব এগিয়ে নিতে, কৌশলগত যোগাযোগ জোরদার করতে এবং উচ্চমানের বেল্ট অ্যান্ড রোড সহযোগিতা বাড়াতে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন শি।’
নতুন যুগে চীন-বাংলাদেশ অভিন্ন ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে বিভিন্ন খাতে দুই দেশের মধ্যে বিনিময় ও সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন চীনের প্রেসিডেন্ট।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের সহযোগিতা আরও গভীর হবে এবং এর সুফল দৃশ্যমান হবে। এতে দুই দেশের জনগণের জন্য আরও বেশি কল্যাণ বয়ে আনবে।





