টাঙ্গাইল দায়রা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. শফিকুল ইসলাম রিপন জানান, আনুমানিক ৩০ বছর আগে আসামি আব্দুল গফুরের সঙ্গে ঘাটাইলের মাকড়াই গ্রামের মৃত কোপাত আলীর মেয়ে সেলিনা খাতুনের বিয়ে হয়।
পারিবারিক বিষয় নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া লেগে থাকত। বিগত ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর সন্ধ্যায় সেলিনা নিখোঁজ হন। পরদিন ২১ নভেম্বর বিকেলে ঘাটাইলের মাকড়াই গ্রামের একটি জঙ্গলের ড্রেন থেকে সেলিনার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পারিবারিক বিরোধের জেরে সেলিনা খাতুনকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে স্বামী আব্দুল গফুর শ্বাসরোধ করে হত্যা করে বলে জানা যায়। এ ঘটনায় সেলিনার ভাই আব্দুল মান্নান ২২ নভেম্বর ঘাটাইল থানায় মামলা করে। পরে পুলিশ গফুরকে গ্রেপ্তার করলে তিনি আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।
একই বছর ৩১ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। বিচার শেষে আদালত আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
আদালতে আসামির উপস্থিতিতেই রায় পড়ে শোনান বিচারক। আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট জোবায়ের হোসেন জয়।





