পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেবাশীষ দত্ত ও তার তিন বছর বয়সী ছেলে স্বর্ণশীষের সৎকার হবে। শনিবার রাত ৮টায় কুষ্টিয়া শহরের মহাশ্মশানে বাবা-ছেলের সৎকারের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, দেবাশীষের স্ত্রী আফসানা শারমিন ও শ্বশুর আকরাম আলীর মরদেহ প্রথমে দেবাশীষের বাড়ি ও পরে থানাপাড়ায় আফসানার বাবার বাড়িতে নেয়া হবে।
এরপর কুষ্টিয়া পৌর কবরস্থানে মুসলিম রীতি অনুযায়ী বাদ এশা তাদের দাফনের প্রস্তুতি রয়েছে। তবে মরদেহ দেশে পৌঁছানোর সময়ের ওপর সময়সূচি নির্ভর করবে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেবাশীষের বাবা দিলীপ দত্ত ও স্বজনরা।
আরও পড়ুন:
প্রায় ৯ বছর আগে ভালোবেসে আফসানাকে বিয়ে করেন দেবাশীষ। ভিন্ন ধর্মের হলেও তাদের সংসারে কোনো বাধা হয়নি। তাদের দুই সন্তান, মহিমা ও স্বর্ণশীষ। বেনাপোল দিয়ে দেবাশীষ, আফসানা, স্বর্ণশীষ, আকরাম আলী ও সাভারের আমিনবাজারের আহমেদ বাবুর মরদেহ আসবে।
ভোমরা দিয়ে আসে সাতক্ষীরার আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ। শুক্রবার রাতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো কলকাতার পিস ওয়ার্ল্ডের হিমাগারে রাখা হয়। শনিবার দুপুর ১টা থেকে ২টার মধ্যে তিনটি অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহগুলো পেট্রাপোল সীমান্তের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা।
কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ খালেদ জানিয়েছে, সরকারি খরচে মরদেহগুলো দেশে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। কাগজপত্রের জটিলতায় শুক্রবার মরদেহ পাঠানো সম্ভব হয়নি।
এদিকে নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে সাতক্ষীরার রেবতি সরকারের মরদেহ পরিবারের ইচ্ছায় ভারতে থাকা এক আত্মীয়ের কাছে রেখে সেখানেই শেষকৃত্য সম্পন্ন করার কথা রয়েছে।





