ইয়ারোস্লাভলের গভর্নর জানান, অঞ্চলটিতে আসা ড্রোনগুলো আটকে দেয়া হলেও ধ্বংসাবশেষ পড়ে শোধনাগারের জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাংকে আগুন ধরে যায়। কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। রাশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম এই শোধনাগারটিতে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউক্রেন বেশ কয়েকবার হামলা চালিয়েছে।
অন্যদিকে, একই দিন ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে রাশিয়ার হামলায় কমপক্ষে ১১ জন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এসব হামলায় একটি বেসামরিক বাস ও ইউক্রেনের গম বহনকারী একটি জাহাজও আক্রান্ত হয়। রাশিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ব্রায়ানস্ক, নিজনি নভগোরোদ ও কুর্স্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের হামলায় কয়েকজন নিহত হয়েছেন।
যুদ্ধের পঞ্চম বছরে এসে সংঘাত অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যে আলোচনা চলছিল, তা আপাতত থমকে গেছে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।





