২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা চালানোর পর দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে এটিই প্রথম বৈঠক। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাকারোভা জানান, জার্মানির অনুরোধেই শনিবার এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
অধিবেশনে দেয়া বক্তব্যে ল্যাভরভ জার্মানিকে ইউক্রেনের ‘প্রধান পৃষ্ঠপোষক’ উল্লেখ করে বলেন, দেশটি আবার ইউরোপের প্রধান সামরিক শক্তি হওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘বার্লিন কি বোঝে এর পরিণতি কী হতে পারে? তারা কি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শিক্ষা ভুলে গেছে?’
জার্মানির লাইপজিগ বিমানবন্দরে সম্প্রতি এক ড্রোন ঘটনার পর দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে আরও অবনতি ঘটে, যার জন্য রাশিয়াকে দায়ী করেছিল বার্লিন। তবে মস্কো এ অভিযোগ নাকচ করেছে।
বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ল্যাভরভ জানান, জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে নতুন কিছুই শোনেননি তিনি। ব্যঙ্গ করে ল্যাভরভ বলেন, ‘আমি তাকে পরিষ্কারভাবে বলেছি... আপনি তো আমাকে একটা ফোন করে বলতে পারতেন—আমার অফিশিয়াল বক্তব্যটি পড়ে নিন।’
রয়টার্স জানিয়েছে, বৈঠকে কৃষ্ণসাগরে খাদ্যশস্য রপ্তানি চালু এবং ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে হামলা বন্ধের জন্য তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এর জবাবে ল্যাভরভ বলেন, কৃষ্ণসাগরে নিরাপদ নৌ চলাচলের বিষয়ে ভারত, মিশর ও তুরস্কের সঙ্গে মস্কো আলোচনা করছে। তবে এ বিষয়ে ইউক্রেনের সঙ্গে কোনো অনুরোধ নয়, কেবল ‘দাবি’র ভাষায় আলোচনা হতে পারে বলে সাফ জানিয়ে দেন তিনি।





