এক বিবৃতিতে টার্ক বলেন, গত মার্চ থেকে ফাঁসি ও মৃত্যুদণ্ডের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তাতে তিনি শঙ্কিত। তিনি বলেন, ‘সাধারণ মানুষের মনে ভয় ঢুকিয়ে দিতে এবং ভিন্নমত দমন করতেই ইরানে মৃত্যুদণ্ডকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।’
মানবাধিকার প্রধান আরও জানান, নিরাপত্তাসংক্রান্ত অভিযোগে এখনো ১০০-রও বেশি মানুষ ফাঁসির অপেক্ষায় রয়েছেন। গত জানুয়ারিতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারান, যাদের বেশিরভাগই ছিলেন তরুণ। এই দমনপীড়নের অজুহাত দেখিয়েই মূলত ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপকে বৈধতা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল।
এদিকে গত সপ্তাহে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, বিক্ষোভের সঙ্গে সম্পর্কিত ২৬ জনকে ‘স্বেচ্ছাচারিতভাবে’ এবং আরও ২৬ জনকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ অভিযোগে ফাঁসিতে ঝুলিয়েছে ইরান।





