নিহত কোহিনুর বেগম (৪৫) মেঘনা উপজেলার চরবিনোদপুর গ্রামের মো.কাবিল মিয়া স্ত্রী।
ঘটনাটি ঘটেছে তিতাস উপজেলার নতুন ভাটেরারচর গ্রামে আজ (২৬ জুলাই) বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টায়। এসময় মেঘনা ও তিতাস উপজেলার অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসী বলছে, হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় তিতাসের নতুন ভাটেরার চরের অন্তত ২০টি বাড়ি ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে। এর আগেও এই চর দখল নিয়ে দু’পক্ষের মারামারির ঘটনা ঘটে।
মেঘনা থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘কাঠালিয়া নদীর দক্ষিণ পাড়ে এবং নতুন ভাটেরারচর গ্রামের পশ্চিম-দক্ষিণ পাশে একটি চর দখল নিয়ে মেঘনার চরবিনোদপুর ও তিতাসে নতুন ভাটেরারচর গ্রামবাসীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে টেটাযুদ্ধ লুটপাট ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে আসছে। এরই জেরে আজ বিকেলে মেঘনা উপজেলার চরবিনোদপুর ও আলীপুর এবং তিতাসের নতুন ভাটেরারচর গ্রামবাসী আবারও সংঘর্ষে জড়ায়।’
আরও পড়ুন:
অভিযোগ রয়েছে, মেঘনার লোকজন দলবদ্ধ হয়ে দেশিয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে নৌকা যোগে তিতাসে আগে হামলা চালায়। খবর পেয়ে দুই থানার পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।
তবে নতুন ভাটেরারচর গ্রামে থম থমে অবস্থা বিরাজ করছে। আবারও যেকোনো সময় বড় ধরনের লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন নতুন ভাটেরারচর গ্রামের নারী পুরুষ। তিতাস ও মেঘনা থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে অবস্থান করছেন।
তিতাস থানার ওসি মো. মমিরুল হক বলেন, ‘দুইপক্ষের সংঘর্ষ এটাতে মেঘনা ও তিতাস দুই থানার পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। যে নারীর মৃত্যু হয়েছে তিনি মেঘনা উপজেলার বাসিন্দা। বিষয়টি যেন স্থায়ী সমাধানের দিকে যায় সেজন্য কাজ করছে প্রশাসন।’
আরও পড়ুন:
তিতাস উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অনুপস্থিততে দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানিয়া আক্তার লুবনা বলেন, ‘আগেও দুই উপজেলার বাসিন্দাদের মধ্যে এই চর দখল নিয়ে মারামারি হয়েছে। এবারও যখন মারামারি হয়েছে আমরা আগে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি। দুই উপজেলা প্রশাসন ও থানা থেকে যেন পরবর্তীতে আর কোন সংঘর্ষ না করে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।’
সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানিয়া আক্তার লুবনা আরও বলেন, ‘এই চরের বন্দোবস্ত নিয়ে যেকোনো আইনি জটিলতা নিরসনে আমরা দুই উপজেলাবাসীদের সঙ্গে আবারও কথা বলে ব্যবস্থা নেবো।’





