রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে সাভারের বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী-পুরুষ মিছিল নিয়ে জড়ো হন তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি পিএলসির সাভার আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে। গ্যাসের দাবিতে বিক্ষোভ আর স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। ক্ষুব্ধ গ্রাহকদের অভিযোগ, মাসের পর মাস বিল পরিশোধ করলেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সেবা। এছাড়াও গ্যাস পাম্পে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাড়িয়েও মিলেছে না কাঙ্ক্ষিত গ্যাস।
গ্রাহকরা জানান, গ্যাসের প্রেশারই পাওয়া যায় না। ৭০, ৮০, ১০০—এরকম প্রেশারই পাওয়া যায়। এতে চলাফেরা করা খুবই কষ্ট হচ্ছে। সিরিয়ালে অনেক বাস লাগে। তো এখন বাসে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকার গ্যাস যায়। পরবর্তীতে ছোট গাড়ি গেলে গ্যাস পায় না।
আরও পড়ুন:
বিক্ষোভকারীরা জানান, প্রায় এক বছর ধরে গ্যাসের চাপ কম থাকলেও গত দুই মাসে সংকট ভয়াবহ আকার নিয়েছে। দিনের বেশির ভাগ সময় গ্যাস না থাকার ফলে কেউ হোটেল থেকে খাবার কিনছেন, কেউ বৈদ্যুতিক বা কাঠের চুলায় রান্না করছেন। এতে বাড়তি খরচের পাশাপাশি দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
আন্দোলনকারীরা তিতাস গ্যাসের গাজীপুর অঞ্চলের প্রকৌশলীর কাছে স্মারকলিপি জমা দেন। তিন দিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন তারা। গ্রাহকদের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। কোন এলাকায় কী ধরনের সমস্যা রয়েছে তা শনাক্ত করে দ্রুত গ্যাসের চাপ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিতাসের এই কর্মকর্তা।
তিতাস গ্যাসের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘কোন কোন এলাকায় গ্যাস পাচ্ছে না? কোন লাইন থেকে আসছে—আমরা চেষ্টা করবো যে ওই লাইনে কীভাবে প্রেশার বাড়ালে এই প্রবলেমটা সলভ করা যায়। অতি স্বল্পতম সময়ের ভেতরে আমরা চেষ্টা করবো যে এই প্রবলেমটা সলভ করার জন্য।’
তবে নির্ধারিত তিনদিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে আবারও রাজপথে নামার ঘোষণা দিয়েছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা।





