আহাদ মোহনগঞ্জ উপজেলার মাঘান মাইজহাটি গ্রামের কাঁচা মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আহাদ তাদের উপজেলার পাশের সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় সৈয়দপুর গ্রামে চাচাতো ভাই সুরুজ আলীর বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। এরপর সেখান থেকে নিখোঁজ হন গত আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল খেলার রাত থেকে। পরে শুক্রবারে উপজেলার বাত্তেরকোনা এলাকায় সাপমরা নদীতে মরদেহ ভেসে উঠলে এলাকাবাসীর খবরে পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে।
এদিকে স্থানীয়রা জানান, চাচা কালা মিয়ার ছেলে সুরুজের সঙ্গে ওইদিন সন্ধ্যায় চা পান শেষে বাড়িতে যায়। এসময় সুরুজ তাকে একসঙ্গে খেলা দেখার প্রস্তাব দিলে বাড়ি গিয়ে খাওয়া দাওয়া শেষে মোবাইলে খেলা দেখবেন বলে জানিয়েছিলেন আহাদ। পরে সকালে বাড়িও ফিরে যায়নি চাচাতো ভাইয়ের বাড়িতেও যায়নি। এরপর পরিবার ও স্বজনরা খোঁজ করতে থাকে। শুক্রবার ভোরে স্থানীয়রা সাপমরা নদীতে বাঁশের একটি খুঁটির সঙ্গে মরদেহ আটকে থাকা অবস্থায় দেখে মোহনগঞ্জ থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
মোহনগঞ্জ থানার ওসি মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন জানান, পরিবার সূত্রে জানতে পেরেছি সাঁতার জানতেন না আহাদ। রাতে হয়তো নদীর পাড়ে বসে খেলা দেখতে দেখতে পরে যায়। বসা স্থান থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে তার মরদেহটি ভেসে উঠলে স্থানীয়দের খবরে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের লোকজনের কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই হস্তান্তর করা হয়েছে।





