এসময় দুর্যোগমন্ত্রী জানান, পানি নেমে যাওয়ার পরপরই ক্ষতিগ্রস্তদের ঘরবাড়ি মেরামত ও পুনর্বাসনের কাজ শুরু করবে সরকার।
অধিবেশনে ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পার্বত্য তিন জেলায় এক হাজার ৩০০ মেট্রিক টন চাল এবং রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে ২০ লাখ টাকা করে বিশেষ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
এর আগে প্রশ্নোত্তর পর্বে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, নিত্যপণ্যের দাম ও সরবরাহ ঠিক রাখতে আমদানি সহজ ও প্রয়োজনে শুল্ক কমানোর পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।
অন্যদিকে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানান, প্রবাসে কোনো শ্রমিক মারা গেলে তার মরদেহ দেশে আনা থেকে দাফন পর্যন্ত সব খরচ এখন থেকে রাষ্ট্র বহন করছে।
প্রশ্নোত্তর পর্বে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী জানান, ওএমএস কিংবা ভিজিএফের চালে কোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ মিললে জড়িতদের তদন্ত করে কঠোর শাস্তি দেয়া হবে।




