নির্মম হত্যাকাণ্ডের ২৫ দিন এবং অভিযোগপত্র দাখিলের ১০ কার্য দিবসে সম্পন্ন হলো বিচার কাজ।আজ (বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই) ট্রাইব্যুনালের বিচারক সুদীপ্তা সরকার এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন আরিফ, রাকিব ও সিয়াম।
গত ১৪ জুন বিকেলে ধোবাউড়ায় শিশু নিছামনিকে ধর্ষণের পর নদীতে ফেলে হত্যা করা হয়। পরদিন ১৫ জুন নিছামনির পিতা বাদী হয়ে ধোবাউড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত শেষে মামলার মাত্র ৯ দিনে ২৩ জুন ৪ আসামির বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে পুলিশ।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট বজলুল করিম চৌধুরী বলেন, ‘এই রায়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা আদালতে আসামিদের দোষ প্রমাণ করতে পেরেছি। আদালত এ অপরাধে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করেছেন। শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আরিফ, রাকিব ও সাইমের মৃত্যুদণ্ড হয়েছে।
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন, ‘অপ্রাপ্ত বয়স্ক অপর আসামী মারুফকে দুটি ধারায় ১০ বছর ও আড়াই বছরের কারাদণ্ড দেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক। দুটি সাজা এক সঙ্গে কার্যকর হবে। প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার আগ পর্যন্ত সে গাজীপুরের টঙ্গির কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে থাকবে। প্রাপ্ত বয়স হওয়ার পর তাকে কারাগারে নেয়া হবে।’
রায়ে সন্তুষ্ট নিছামনির বাবা রাজু মিয়া বলেন, ‘রায়টি দ্রুত কার্যকর হলেই আমরা খুশি। আমার ফুলের মতো মেয়েকে তো আর পাবো না। এই পশুদের মৃত্যু দেখে মরতে চাই।’
এদিকে রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবে কি না সেটি আসামিদের পরিবারের বিষয় বলে জানান রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামি পক্ষের আইনজীবী খন্দকার অ্যাডভোকেট বদরুল আলম।





