প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বার্তায় বাংলাদেশ সরকার, দেশের জনগণ এবং নিজের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি অভিনন্দন জানান। তিনি তার বার্তায় উল্লেখ করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বাস্তববাদী নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র আগামী দিনগুলোতে আরও মহত্ত্বের পথে এগিয়ে যাবে।
প্রধানমন্ত্রী তার বার্তায় বলেন, ‘‘যেহেতু মার্কিন সারা দেশজুড়ে এই গৌরবময় উপলক্ষটি উদযাপন করছে, তাই ‘আমেরিকা ২৫০’ বিশ্বজুড়ে মানুষকে আমেরিকান স্বপ্ন, ত্যাগ, স্বাধীনতা, মূল্যবোধ, ঐতিহ্য, নীতি এবং বিশ্বের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অবদান থেকে অনুপ্রেরণা নিতে সহায়তা করছে।”
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের দীর্ঘ ইতিহাস তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র দেশটির গণতান্ত্রিক ও উন্নয়ন যাত্রায় একটি মূল্যবান বন্ধু এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে পাশে রয়েছে।’ তিনি জানান, গত পাঁচ দশকে দুই দেশের সম্পর্ক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, শিক্ষা, প্রতিরক্ষা এবং ব্যাপক জনমানুষের সংযোগের মধ্য দিয়ে একটি শক্তিশালী ও বহুমুখী অংশীদারিত্বে পরিণত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তার বার্তায় আরও উল্লেখ করেন যে, দুই দেশ এখন সম্পর্কের একটি নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। চলতি বছরের শুরু থেকেই বাণিজ্য, জ্বালানি সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে বলে তিনি জানান। এছাড়া রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সমর্থন ও উদারতার জন্য প্রধানমন্ত্রী গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী ও গভীর করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার সরকার এবং নিজের পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের সাথে একত্রে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
বার্তার শেষাংশে, এ আনন্দঘন মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী আমেরিকার প্রেসিডেন্টের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও অব্যাহত সাফল্য কামনা করেন। সেই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুপ্রতীম জনগণের জন্য স্থায়ী শান্তি, সমৃদ্ধি ও সুখ প্রার্থনা করেন। বার্তার শেষে তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি তার সর্বোচ্চ বিবেচনার নিশ্চয়তা প্রদান করেন।





