ইরানের প্রয়াত শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা ও দাফনে এরইমধ্যে প্রায় শ'খানেক দেশ থেকে প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। প্রত্যাশা করা হচ্ছে খামেনিকে বিদায় জানাতে প্রায় দেড় থেকে ২ কোটি মানুষের সমাগম হবে।
তবে এতোসবের মাঝেও থাকবে শুন্যতার গল্পগাঁথা। কারণ বাবার বিদায়বেলায় থাকবেন না ছেলে মুজতবা খামেনি। শুধু বাবা নন, শেষ দেখা হবে না প্রিয়তমা স্ত্রীর সঙ্গেও।
দু'দিন আগেও গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিলো আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজায় উপস্থিত হওয়ার বিষয়টি। তবে আনুষ্ঠানিকতা শুরুর একদিন আগে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, নিরাপত্তার কারণে জানাজায় অংশ নেবেন না ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনি।
তবে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজায় মুজতবা খামেনির অংশ না নেয়ায় সমালোচনার ঝড় বইছে নানা মহলে। প্রশ্ন উঠেছে তার অস্তিত্ব নিয়ে। গেলো ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিমান হামলায় গুরুতর আহত হন মুজতবা খামেনি। সেই সময় থেকেই আত্মগোপনে রয়েছেন তিনি।
বাবার স্থলাভিষিক্ত হয়ে ইরানের শাসনব্যবস্থার দায়িত্ব নিলেও এখনও জনসম্মুখে দেখা যায়নি তাকে। এমনকি তার কোন ভিডিও বার্তাও পায়নি ইরানের মানুষ। সকলের প্রত্যাশা ছিলো অন্তত বাবার জানাজা উপলক্ষে সামনে আসবেন ইরানের নতুন শীর্ষ নেতা। তাই শঙ্কা দেখা দিয়েছে, আদৌ মুজতবা খামেনি বেঁচে আছেন কী-না? এ পরিস্থিতিতে তার নেতৃত্বের অবস্থান নড়বড়ে বলে মনে করছেন অনেকে।
অপরদিকে ইরানের শীর্ষ নেতা যেই হবেন তাকেই ইসরাইল হত্যা করবে এমন হুমকিও রয়েছে। সেই আতঙ্ক থেকেও মুজতবা খামেনি জনসমাগম এড়িয়ে চলছেন বলে মন্তব্য অনেক বিশ্লেষকদের।





