ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল হিরাত শহর থেকে প্রায় ১৩৬ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পূর্বে এবং এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার নিচে। ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল সমুদ্রের প্রত্যন্ত এলাকায় হওয়ায় জনবসতিপূর্ণ এলাকায় বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। এছাড়া প্রাথমিকভাবে কোনো সুনামির সতর্কতাও জারি করা হয়নি।
জাপান ভূতাত্ত্বিকভাবে অত্যন্ত সক্রিয় ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত হওয়ায় সেখানে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়। বেশ কয়েকটি টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে দেশটির অবস্থান। মাঝেমধ্যে শক্তিশালী ভূমিকম্প উপকূলীয় দ্বীপগুলোতে কম্পন সৃষ্টি করলেও এবারের ভূমিকম্পটি সমুদ্রের গভীরে হওয়ায় স্থলভাগে এর প্রভাব সীমিত ছিল।





