আগামীকাল (বুধবার, ১ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি আজ দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেছেন।
ঐতিহ্যবাহী এ বিদ্যাপীঠের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে জাতির রাজনৈতিক, সামাজিক ও জাতীয় জাগরণ ঘটেছে এবং এরই ক্রমধারায় অভ্যুদয় ঘটেছে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের।
তিনি বলেন, ‘ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন, দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রাম, ৯ মাসের সশস্ত্র রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানসহ দেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবদান অসামান্য ও গৌরবোজ্জ্বল।
একইসঙ্গে দেশের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, মানবিকতা, মুক্তবুদ্ধি চর্চা, শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকাশেও এই বাতিঘরের কীর্তি অবিস্মরণীয়। দক্ষ মানবসম্পদ ও পেশাজীবী তৈরি, চিন্তক ও দূরদর্শী নেতৃত্ব গড়ে তোলাসহ জনজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এই জ্ঞানপীঠের অবদান অনন্য সাধারণ। এই প্রেক্ষাপটে জাতির আশা-আকাঙ্খার প্রতীক এ বিশ্ববিদ্যালয়ের এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রতিপাদ্য ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ যথার্থ ও প্রাসঙ্গিক হয়েছে বলে রাষ্ট্রপতি মনে করেন।
তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। দেশের উচ্চশিক্ষার পথিকৃৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেও বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। শিক্ষা ও গবেষণা পাঠ্যসূচিকে যুগোপযোগী ও আধুনিক করতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আগামীতেও গৌরবময় ঐতিহ্য ও একাডেমিক শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখবে, জাতীয় জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে জনগণের পাশে থাকবে এবং দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় ইতিবাচক অবদান অব্যাহত রাখবে এটাই সকলের প্রত্যাশা।—বাসস





