নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছিল ক্রোয়েশিয়া। পরের ম্যাচ ড্র করায় নকআউট পর্বে ওঠা নিয়ে দেখা দিয়েছিল শঙ্কা। ঘানার বিপক্ষে তাই বেশ চাপে থেকেই খেলতে নামে লুকা মদ্রিচের দল।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় ঘানা ও ক্রোয়েশিয়া। ম্যাচের ৩০ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন ক্রোয়েশিয়ার মিডফিল্ডার পিটার সুচিচ। তার গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় ক্রোয়াটরা। ৭৩ মিনিটে ডেরিক লুকাসেনের গোলে সমতায় ফেরে ঘানা।
জমে ওঠা ম্যাচে ১০ মিনিট পরই আবার লিড নেয় ক্রোয়েশিয়া। এবারের স্কোরার নিকোলা ভ্লাসিচ। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয়ে রানারআপ হিসেবে পরের রাউন্ডের টিকিট কাটলো ক্রোয়েশিয়া। তাদের জয়ে আসর থেকে বিদায় নিয়েছে স্কটল্যান্ড।
গ্রুপের আরেক ম্যাচে পানামার বিপক্ষে বেশ ফুরফুরে মেজাজেই খেলতে নামে আগেই নকআউট নিশ্চিত হওয়া ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধে বেশ কিছু আক্রমণ করলেও গোলের দেখা পায়নি হ্যারি কেইনের দল। শেষ পর্যন্ত ৬২ মিনিটে গোলের দেখা পান জুড বেলিংহ্যাম।
মিনিট পাঁচেক পর হেড থেকে গোল করেন ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেইন। ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরে ১১ বার লক্ষ্যভেদ করে ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড নিশ্চিত করেন তিনি। পেছনে ফেলেন ১০ গোল করা ইংলিশ কিংবদন্তি গ্যারি লিনেকাকে।
২-০ গোলের জয়ে গ্রুপসেরা হয়েই নক আউটে উঠেছে ইংল্যান্ড। এই জয়ে ইংলিশদের দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের স্বপ্নে লেগেছে জোর হাওয়া।





