শুরুতে ৭ জুলাই ইরানের কোম শহরে খামেনির জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরের দিন সর্বসাধারণের শ্রদ্ধার জন্য রাখা হবে তাকে। ৯ জুলাই মাশহাদ শহরে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
এরপর তার পূর্বপুরুষ ইমাম সাজ্জাদের মাজারে দাফন করা হবে। সেখানেই তৈরি করা হবে তার মাজার।
এ বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন হামলায় শহিদ হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। মৃত্যুর পর তার জায়গায় স্থলাভিষিক্ত হন তারই ছেলে মোজতবা খামেনি।





