মন্ত্রী বলেন, ‘দেশে আবিষ্কৃত পাঁচটি কয়লাক্ষেত্র হলো দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাক্ষেত্র, ফুলবাড়ি কয়লাক্ষেত্র, দিঘীপাড়া কয়লাক্ষেত্র, রংপুরের খালাসপীর কয়লাক্ষেত্র এবং জয়পুরহাটের জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্র।’
তিনি জানান, এসব কয়লাক্ষেত্রের মধ্যে শুধু বড়পুকুরিয়া কয়লাক্ষেত্রের উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করে ২০০৫ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে কয়লা উত্তোলন করা হচ্ছে। দেশের একমাত্র উৎপাদনশীল এই কয়লাখনি থেকে নিয়মিত কয়লা উত্তোলন অব্যাহত রয়েছে এবং এর কার্যক্রম কখনো বন্ধ হয়নি।
ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং স্থানীয় জ্বালানি সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অন্যান্য কয়লাক্ষেত্রগুলোর সম্ভাবনা ও উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ চলছে।’
আরও পড়ুন:
তিনি জানান, অবশিষ্ট চারটি কয়লাক্ষেত্রের মধ্যে ফুলবাড়ি ও দিঘীপাড়া কয়লাক্ষেত্রের বিস্তারিত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (ফিজিবিলিটি স্টাডি) এরইমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এসব সমীক্ষার মাধ্যমে কয়লা উত্তোলনের প্রযুক্তিগত, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, ‘খালাসপীর ও জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্রে আংশিক সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এ দুইটি ক্ষেত্রের কয়লার মজুত, উত্তোলন পদ্ধতি ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা পেতে বিস্তারিত সমীক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণে দেশিয় জ্বালানি সম্পদের অনুসন্ধান, উন্নয়ন ও ব্যবহারে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। একইসঙ্গে পরিবেশ ও জনস্বার্থ বিবেচনায় রেখে কয়লাসহ অন্যান্য খনিজ সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার বিষয়েও সরকার কাজ করে যাচ্ছে।’—বাসস





 specialises in using seismological data to track nuclear tests-320x167.webp)