বিশ্বকাপের নিজেদের প্রথম ম্যাচে জাপানের সঙ্গে ড্র করেছিল নেদারল্যান্ডস। সেই ম্যাচে না জেতার দুঃখ ভুলতেই যেন সুইডেনের বিপক্ষে মাঠে নামে ডাচরা। আক্রমণাত্মক ফুটবলে ম্যাচের শুরুতেই দুই গোলের দেখা পায় দলটি। হাইড্রেশন ব্রেকের আগে ৫ ও ১৭ মিনিটে হওয়া দুটি গোলই করেন ব্রায়ান ববি। এর মাঝে তার দ্বিতীয় গোল ছিল বিশ্বকাপে কমলা শিবিরের শততম।
দুই গোল হজম করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে সুইডেন। প্রথমার্ধের বাকি সময় আধিপত্য দেখিয়েছে তারাই। শুধু গোলটাই পাওয়া হয়নি। উল্টো বিরতি থেকে ফিরেই ৪৭ ও ৫৪ মিনিটে কোডি গাকপোর জোড়া গোলে ম্যাচের ফল নিজেদের পক্ষে নেয় নেদারল্যান্ডস। গাকপোর দ্বিতীয় গোলের মাধ্যমে ৩৩ ম্যাচেই শততম গোলের দেখা পায় চলতি আসর।
৫৯ মিনিটে সুইডেনের ব্যবধান কমান অ্যান্থনি এলেঙ্গা। তবে ম্যাচের শেষদিকে ক্রিসেনসিও সমারভিলের গোলে বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে নেদারল্যান্ডস। এর মাধ্যমে ব্রাজিলকে পেছনে ফেলে বিশ্বকাপে টানা সর্বোচ্চ ১৪ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড গড়েছে ডাচরা। ২০১০ আসরের ফাইনালে শেষবার হেরেছিল তারা।
জার্মানি অবশ্য সহজে জয় পায়নি। ম্যাচের ৩০ মিনিটে ফ্রাঙ্ক কেসির গোলে এগিয়ে গিয়েছিল আইভরি কোস্ট। ৬৭ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে ছিল আফ্রিকার সাদা হাতিরাই। তবে বদলি নেমেই গোল করে জার্মানিকে সমতায় ফেরান ডেনিজ উন্দাভ। যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে উন্দাভের গোলে রোমাঞ্চকর জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ডাই ম্যানশাফটরা।
এ জয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে পিছিয়ে পড়েও জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ার রেকর্ড গড়েছে জার্মানি। ব্রাজিলের এমন ১৫ জয়ের বিপরীতে জার্মানদের জয় ১৬টি। এ ম্যাচ দিয়েই বিশ্বকাপে গোলকিপার হিসেবে সর্বোচ্চ ২১ ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়েছেন জার্মানির ম্যানুয়েল নয়্যার। একইসঙ্গে এ জয়ের মধ্য দিয়ে নক আউট পর্বেও জায়গা নিশ্চিত করেছে নাগলসম্যানের দল।





