বাংলাদেশ অধিনায়ক বলছেন এমন কথা! বছর কয়েক আগে যেটি কল্পনা করাও অলীক মনে হতো! পাইপলাইন ঘাটতির কারণে আন্ডারপারফর্মড ক্রিকেটাররা খেলে গেছেন দিনের পর দিন, সেখানে এই মুহুর্তে পারফর্ম করেও একাদশে জায়গা করে নেয়া কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সবশেষ ওয়ানডে সিরিজের কথাই ভাবুন। প্রথম ম্যাচে ৪ উইকেট শিকারের পরও, শেষ ম্যাচে বেঞ্চে নাহিদ রানা। একাদশে সুযোগ পেলেন শরিফুল। একাই শিকার করলেন ৬ উইকেট! যেন একজন আরেকজনকে ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমেছেন! এমন স্বাস্থ্যকর লড়াই তো পৃথিবীর সব দলের কাছেই কাঙ্ক্ষিত। লিটন দাস যেমন উপভোগ করছেন একাদশে জায়গা করে নেয়ার এই লড়াইটা।
লিটন দাস বলেন, ‘এটা একটা ভালো জিনিস যে আপনার বেঞ্চ সাইডও অনেক স্ট্রং। আপনি যেকোনো প্লেয়ারকে খেলাতে পারবেন বেস্ট ইলেভেনে। এটা একটা ভালো কম্পিটিশন। এট দ্যা সেম টাইম বাংলাদেশ টিমের জন্য ভালো যে আপনার বেঞ্চও অনেক স্ট্রং হচ্ছে। আমি আগেও বলেছি তাসকিন, মুস্তাফিজ বিগ নেম। তাদের যে অভিজ্ঞতা লাস্ট সিরিজে তাদেরকে খেলানো হয় নাই বিকজ অব রেস্ট। সো এই সিরিজে তারা এসেছেন। ফুল স্ট্রেন্থ নিয়েই আমরা যাচ্ছি, ভালো ক্রিকেট খেলার জন্য।’
এই প্রতিযোগিতার বেশিরভাগই পেইস অ্যাটাক নিয়ে। মিডল অর্ডারেও পারফর্মারদের লড়াই চলছে। তবে টপঅর্ডারে তানজিদ তামিম, সাইফ হাসান, পারভেজ ইমন আর সৌম্য সরকারদের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধ চললেও, পারফরম্যান্সের ঘাটতি আছে। ছন্দে না থাকলে এই বাংলাদেশ একাদশে যে সুযোগ পাওয়া কঠিনতর হবে সেটি নিশ্চয়ই তারাও টের পাচ্ছেন।





