গত মাসে একজন ফেডারেল বিচারক রায়ে জানান, কেনেডি সেন্টারে প্রেসিডেন্টের নাম যুক্ত করা বেআইনি ছিল। আদালত ১২ জুনের মধ্যে এই নাম সরানোর নির্দেশ দেয়। আদালতের রায়ের পর শ্রমিকরা ভবনে মাচান তৈরি করে নাম অপসারণের কাজ শুরু করেন। ঝড়ের কারণে কাজ কিছুটা বিলম্বিত হলেও শনিবার ভোরের মধ্যে কাজ শেষ হয়। ট্রাম্প প্রশাসন এই আদেশ স্থগিতের শেষ মুহূর্তের চেষ্টা করলেও আদালত তা প্রত্যাখ্যান করে দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী কেনেডি সেন্টার সাবেক প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির একটি স্মৃতিস্তম্ভ। এই প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের আইনগত বিরোধ থেকেই বর্তমান ঘটনার সূত্রপাত। ‘হ্যান্ডস অফ দ্য আর্টস’ নামের একটি সংগঠনের সদস্যরা শুক্রবার কেনেডি সেন্টারের সামনে জড়ো হয়ে ট্রাম্পের নাম সরানোর সময় ‘এটি নামিয়ে ফেলো’ বলে স্লোগান দেন। আপিল আদালত ট্রাম্প প্রশাসনের আবেদন নাকচ করে দেয়ায় বিক্ষোভকারীরা উল্লাস প্রকাশ করেন।
এর আগে মে মাসের শেষ দিকে ইউএস ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারক ক্রিস্টোফার কুপার রায় দিয়েছিলেন যে, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ওয়াশিংটন ডিসির এই কেন্দ্রটির নাম পরিবর্তন করা যাবে না। ট্রাম্প গত বছর কেনেডি সেন্টারসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থাপনার নতুন নামকরণের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি নিজেকে এই কেন্দ্রের ট্রাস্টি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে পরবর্তীতে চেয়ারম্যান পদে বসেছিলেন।





