দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি হামলায় নিহত ৫; আবারও উচ্ছেদ আতঙ্ক

লেবাননের টায়ারে ইসরাইলি হামলার পর একটি ক্ষতিগ্রস্ত ভবন এক ব্যক্তি পরিদর্শন করছে
লেবাননের টায়ারে ইসরাইলি হামলার পর একটি ক্ষতিগ্রস্ত ভবন এক ব্যক্তি পরিদর্শন করছে | ছবি: সংগৃহীত
0

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ‘যুদ্ধবিরতি’ চলার কথা থাকলেও দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি বিমান হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা (এনএনএ) জানিয়েছে, টায়ার জেলার মারাক্কেহ শহরে বিমান হামলায় একজন প্রাণ হারান। এছাড়া জেজিন জেলার আর-রিহান পৌরসভার মেয়র আলি বাদি ইসরাইলি হামলায় নিহত হয়েছেন। নাবাতিয়ে জেলার দেইর আল-জাহরানি এবং কাফর রেমান শহরে হামলায় আরও তিনজন নিহত হয়েছেন। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

আজ (শনিবার, ১৩ জুন) ভোরে ইসরাইলি হামলায় দক্ষিণ লেবাননের বিনত জবেইল এলাকার বেশ কিছু বাড়িঘর ও সরকারি ভবন ধসে পড়েছে। এরই মধ্যে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের ২৪টি শহর ও গ্রামের বাসিন্দাদের ‘অবিলম্বে’ ঘরবাড়ি ছেড়ে জাহরানি নদীর উত্তরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

এই জোরপূর্বক উচ্ছেদ আদেশের আওতায় দেইর আল-জাহরানি, হাব্বুশ, কাফরজোজ ও জিবদিনসহ নাবাতিয়ের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকা রয়েছে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তির খসড়া চূড়ান্ত হওয়ার ঘোষণা দিলেও লেবাননে ইসরাইলি হামলা থামছে না। ইরানি সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, এই চুক্তিতে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধের কথা রয়েছে।

তবে ইসরাইল এই আলোচনার অংশ নয় এবং তারা লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহারের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে। ফলে ইসরাইলের এই আগ্রাসন ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার শান্তি আলোচনাকে নস্যাৎ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

লেবাননের এই সংকটময় মুহূর্তে প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন আজ (শনিবার, ১৩ জুন) জানিয়েছেন, দেশ এখন একটি ‘ভাগ্যনির্ধারণী সন্ধিক্ষণে’ রয়েছে। তিনি জাতীয় ঐক্যের ওপর জোর দিয়ে বলেন, লেবাননকে এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হবে নাকি মিলিশিয়াদের জিম্মি হয়ে থাকবে।

এএম