ইউএনসিটিএডি বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের ইরান যুদ্ধ ঘিরে তৈরি হওয়া জ্বালানি সংকট আবারও জ্বালানি নিরাপত্তাকে বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। এই প্রেক্ষাপটে তামা, নিকেল, লিথিয়াম, কোবাল্ট ও বিরল মৃত্তিকা উপাদান এখন শিল্পনীতি, উন্নয়ন পরিকল্পনা ও ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার মূল উপাদানে পরিণত হয়েছে।
সংস্থাটি জানায়, বৈদ্যুতিক গাড়ি, ব্যাটারি সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রযুক্তি, সেমিকন্ডাক্টর ও ডেটা সেন্টারের জন্য এসব খনিজ অপরিহার্য। ২০৪০ সালের মধ্যে লিথিয়ামের চাহিদা ৩৫০ শতাংশের বেশি বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। একই সময়ে গ্রাফাইটের চাহিদা ১৩০ শতাংশের বেশি বাড়তে পারে।
উৎপাদনের ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়া, চিলি ও চীন মিলে বিশ্ব লিথিয়ামের ৭০ শতাংশের বেশি উৎপাদন করে। এছাড়া একাধিক গুরুত্বপূর্ণ খনিজের প্রক্রিয়াজাতকরণ বা রিফাইনিং খাতে চীনের প্রভাবশালী অবস্থান রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।





