এর আগে ২০১৯ সালের ২২ মে এক দিনে ২২৩ জন আরোহী চূড়ায় উঠেছিলেন। সেই তুলনায় এবার আরোহীর সংখ্যা প্রায় ৫০ জন বেশি। যদিও ওই বছর তিব্বত সীমান্ত অর্থাৎ উত্তর দিক দিয়েও কিছু আরোহী চূড়ায় ওঠায় মোট সংখ্যাটি বেশি ছিল। তবে এ বছর চীন উত্তর দিক দিয়ে আরোহণের কোনো অনুমতি দেয়নি।
নেপালের এক্সপেডিশন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ঋষি ভান্ডারি জানান, অনুকূল আবহাওয়া এবং বিপুল সংখ্যক আরোহী অপেক্ষায় থাকার কারণেই এই নতুন রেকর্ড হয়েছে। সপ্তাহের শেষ দিকে ঝড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস থাকায় আরোহীরা বুধবারের সুযোগটি কাজে লাগিয়েছেন। এভারেস্টে আরোহীদের অতিরিক্ত ভিড় বা ‘ওভারক্রাউডিং’ এখন বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০১৯ সালে আরোহীদের দীর্ঘ সারির একটি ছবি বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তুলেছিল। সে সময় ‘ডেথ জোন’ হিসেবে পরিচিত এলাকায় প্রায় ৩২০ জন আরোহী চূড়ায় ওঠার জন্য অপেক্ষায় ছিলেন।
আরও পড়ুন:
সাধারণত মে মাসের মাঝামাঝি থেকে শেষ সময় পর্যন্ত এভারেস্ট জয়ের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হিসেবে বিবেচিত হয়। এ সময়ে শীতকালীন তীব্র বাতাসের বেগ কমে আসায় আরোহীরা চূড়ার দিকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পান। তবে এ বছর আরোহণের পথ একটি হিমবাহের বরফ খণ্ড বা ‘সেরাক’ দিয়ে আটকে যাওয়ায় কয়েকশ আরোহী বেইস ক্যাম্পে আটকা পড়েছিলেন। পরে ‘আইসফল ডক্টরস’ নামে পরিচিত বিশেষজ্ঞ উচ্চ-উচ্চতার কর্মীরা কয়েক সপ্তাহের চেষ্টায় গত ১৩ মে পথটি পরিষ্কার করতে সক্ষম হন।
পথ পরিষ্কারে দেরি হওয়ায় এ বছর পাহাড়ের ওপর আরোহীদের জট বাড়ার আশঙ্কা করা হয়েছিল। নেপাল সরকার এ বছর এভারেস্ট আরোহণের জন্য প্রায় ৫০০টি পারমিট বা অনুমতিপত্র ইস্যু করেছে। সীমিত সময়ের মধ্যে সবাই চূড়ায় পৌঁছানোর চেষ্টা করায় ৮ হাজার ৮৪৮ মিটার উচ্চতার এই শৃঙ্গে আরোহীদের চাপ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। আবহাওয়া প্রতিকূল হওয়ার আগেই এই বিশাল সংখ্যক আরোহী তাদের লক্ষ্য পূরণ করেছেন।

 leader Abhijeet Dipke and AISA chief Neha Bora-320x167.webp)



