আজ (সোমবার, ১৮ মে) দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। গত ২৫ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ এই আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আবেদন করেন। দুদক প্রসিকিউটর দেলোয়ার জাহান রুমি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের আবেদনে বলা হয়, আসামি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে মালয়েশিয়া শ্রমিক রিক্রুটের জন্য এজেন্ট হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। সরকার নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকা থাকলেও আসামিরা অতিরিক্ত টাকা নেয়। আসামিরা রিক্রুটেড শ্রমিকদের অবৈধভাবে ক্ষতি সাধন করে বিভিন্ন ধাপে বাড়তি ১১৯ কোটি ৩২ লাখ ৭০ হাজার আদায় করেন। অবৈধভাবে আদায় করা এ অর্থ অবৈধ পন্থায় ছদ্মাবৃত্ত, হস্তান্তর, স্থানান্তর, রূপান্তরের মাধ্যমে অর্থপাচার করে আসামিরা দণ্ডবিধির ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এ মামলায় জামিনে মুক্তি পেলে তদন্তে বাধা সৃষ্টি করতে পারেন। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এ মামলায়ও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।
গত ২৩ মার্চ দিবাগত রাতে রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার নিজ বাসা থেকে মাসুদ উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ২৪ মার্চ পল্টন মডেল থানার মামলায় তার পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন আদালত। পরবর্তীতে একাধিক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো ও রিমান্ডে নেয়া হয়।





